পাকিস্তান, সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে ঘিরে একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে নতুন করে সামরিক ও কূটনৈতিক তৎপরতা দেখা দিয়েছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা আয়োজনের উদ্যোগ হিসেবে পাকিস্তান ইসলামাবাদে একটি বৈঠকের পরিবেশ তৈরি করছে। একই সময়ে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিরাপত্তা জোরদার করতে পাকিস্তান যুদ্ধবিমান ও সহায়ক সামরিক সম্পদ সৌদি আরবে পাঠিয়েছে।
সৌদি আরব দাবি করেছে, সম্প্রতি ইরানের কয়েকটি হামলায় দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এক সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছেন। সেই ঘটনার পরই এই সামরিক মোতায়েন করা হয়।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রিয়াদ ও ইসলামাবাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, কোনো এক দেশের ওপর হামলা হলে সেটিকে দুই দেশের ওপরই হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। সেই চুক্তির ভিত্তিতেই এই সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানগুলো সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের কিং আবদুল আজিজ বিমানঘাঁটিতে অবস্থান নিয়েছে। এর উদ্দেশ্য যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
দুই দেশের দীর্ঘদিনের সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্কও উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব পাকিস্তানকে বিভিন্ন সময় আর্থিক সহায়তা দিয়েছে, যার মধ্যে ২০১৮ সালের ৬ বিলিয়ন ডলারের প্যাকেজও রয়েছে।
এদিকে সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক পাকিস্তান সফরকে দেশটির প্রতি অর্থনৈতিক সমর্থনের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।





