ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপত্র শহিদ শরিফ ওসমান ও হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুজনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ১১টায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে তিনি এ তথ্য জানান।
আইজিপি জানান, আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে দেশে আনার জন্য কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলছে এবং অচিরেই তারা দেশে ফিরবেন।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাই প্রধান অঙ্গীকার। চাঁদাবাজদের কোনো দলীয় পরিচয় বিচার্য হবে না। চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং প্রতিটি থানা জিরো কমপ্লেইন সেন্টার হিসেবে কাজ করবে। পুলিশের কোনো সদস্য অতিউৎসাহী ভূমিকা পালন করবেন না, তবে জনগণকে আইন মেনে চলতে হবে। কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন আইনবহির্ভূত কাজে জড়িত থাকলে ছাড় দেওয়া হবে না।
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদারের কথাও জানান আইজিপি। তিনি বলেন, ঈদযাত্রার সময় ছিনতাই, ডাকাতি বা চাঁদাবাজি সহ কোনো অপরাধ বরদাস্ত করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সতর্ক থাকবে।
বেতন-ভাতা নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষের সম্ভাবনা নিয়ে আইজিপি বলেন, বিষয়টি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-র সঙ্গে সমন্বয় করে তোলা হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে নতুন করে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে ব্যাপারেও সতর্ক রয়েছে।
আইজিপি জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় চলছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের দেশে আনা সম্ভব হবে।
পুলিশের দুর্নামের দায় কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর সীমাবদ্ধ থাকার কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, পদোন্নতি ও পদায়নে কোনো স্বজনপ্রীতি হবে না; শুধু যোগ্য ও সৎ কর্মকর্তা থাকবে। তিনি আরও জানান, দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতিটি থানায় একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং পুলিশের পোশাক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।





