রাজধানীর বিজয়নগরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।


হাদির ওপর হামলার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন আল–জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। সেখানে তিনি দাবি করেন, পার্শ্ববর্তী দেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থা কয়েক মাসের মধ্যে সুব্রত বাইনের মতো বহু অস্ত্রধারীকে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে দেশে ঢুকিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আন্ডারওয়ার্ল্ডের কিছু সদস্য এবং কুষ্টিয়া-মেহেরপুর অঞ্চলের চরমপন্থি গ্রুপ মিলিত হয়ে নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্রার্থী, কেন্দ্রীয় নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের টার্গেট করে হামলার পরিকল্পনা করছে।


তিনি আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একজন কর্মকর্তা, সুব্রত বাইনের সহযোগীরা, পিচ্চি হেলাল এবং চরমপন্থি সংগঠন গণমুক্তি ফৌজের প্রধান মুকুল টেলিফোন কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব বিষয়ে আলোচনা করেছে। সায়েরের বক্তব্য অনুযায়ী, সুব্রত বায়েন কারাগারে থাকা অবস্থায় মেয়ের ফোন ব্যবহার করে পিচ্চি হেলাল, মুকুলসহ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে তার মেয়ে সিনথিয়া বিতু নেপালে থাকা লেদার লিটন, পিচ্চি হেলাল, মুকুল, বাড্ডার বড় সাঈদ ও দিপুর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়।


স্ট্যাটাসে সায়ের আরও বলেন, নির্বাচনী অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা থামবে না। তার মতে, এ ধরনের অপচেষ্টা মোকাবিলায় রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে একসঙ্গে থাকা জরুরি।


উল্লেখ্য, স্ট্যাটাসে উত্থাপিত অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।