ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি দাবি করে সিইসি বলেন, নির্বাচনের সময় দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে। এটি নতুন কিছু নয়। অতীতে ভোটের সময় আহসানউল্লাহ মাস্টার ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ অনেকেই নিহত হয়েছেন। হাদির ওপর হামলাও তেমনই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন হবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এই নির্বাচন আয়োজন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা সক্ষম। নির্বাচন সঠিক সময়েই এবং সঠিকভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।
তরুণদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, তরুণরা নিজেরা ভোট দেবেন এবং অন্যদের ভোটদানে উৎসাহিত করবেন। তরুণরা সাহস ও সৃষ্টির প্রতীক। তাদের ছাড়া দেশ গড়া সম্ভব নয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবারের নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, সুন্দর ও স্বচ্ছ, যেখানে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকবে।
দেশ গঠনে তরুণদের অবদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৬৯, ১৯৭০, ১৯৭১, ১৯৯০ ও ২০২৪ সালে তরুণরা তাদের ভূমিকা রেখেছে। তরুণদের সৃষ্টিশীলতা, জ্ঞানভিত্তিক চিন্তা ও শক্তি ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে ঐতিহাসিক। কারণ, প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রবাসীদের ভোটের আওতায় আনা হয়েছে, যা গত ৫৪ বছরে হয়নি। পাশাপাশি নির্বাচন কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা, কারাবন্দি এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এর সঙ্গে গণভোটের আয়োজনও করা হচ্ছে। তরুণরা পাশে থাকলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।





