২০২০ সালের ১৩ নভেম্বরের পর নেপালকে আর হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। পাঁচ বছর পর আবারও জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েও শেষ মুহূর্তে জয় হাতছাড়া হয়েছে। হামজা চৌধুরীর জোড়া গোলের পরও যোগ করা সময়ে গোল হজম করে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে লাল-সবুজদের।
ম্যাচের ২৯তম মিনিটে চাপের মুখে থাকা নেপাল আচমকা পাল্টা আক্রমণে উঠে যায়। ডিফেন্ডার সুমিত শ্রেষ্ঠার কাট ব্যাক পেয়ে নিচু শটে জটলার ফাঁক গলে বল জালে পাঠান রোহিত চাঁদ। পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিক বাংলাদেশ।
বিরতির পর প্রথম মিনিটেই আসে বাংলাদেশের সমতা ফেরানোর গোল। ডান দিক থেকে ফাহিমের ক্রস জামাল ভূঁইয়া বাড়িয়ে দেন সামনে, সেখানে ওভারহেড কিক থেকে দারুণ এক বাইসাইকেল শটে গোল করেন হামজা চৌধুরী।
এর মাত্র দুই মিনিট পর রাকিব হোসেন নেপালের বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ। ঠাণ্ডা মাথায় স্পটকিক নিয়ে নেপালের গোলরক্ষক কিরণ কুমারকে ছলনায় ফেলে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন হামজা—তাতে ম্যাচে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মাঠে নামেন শমিত, আর জোড়া গোলের পর বদলি হিসেবে নেমে দেশের জার্সিতে অভিষেক হয় কিউবা মিচেলের। এগিয়ে থেকেই ম্যাচের শেষ প্রান্তে পৌঁছায় বাংলাদেশ। তবে যোগ করা সময়ে কর্নার থেকে আসা বলে পা ছুঁইয়ে গোল করেন নেপালের অনন্ত তামাং, সমতায় ফেরে ম্যাচ।
ম্যাচের শুরুতে শমিতকে বেঞ্চে রেখে খেলতে নামে বাংলাদেশ। ৪ মিনিটে পাওয়া কর্নার কাজে লাগেনি, ১০ মিনিটে ফাহিমের ক্রসেও সোহেল রানা হেড নিতে ব্যর্থ হন। ২০ মিনিটে জামালের কর্নারও বিফল যায়। ছয় মিনিট পর ফাহিমের পায়ে তৈরি হয় গোলের সম্ভাবনা, তবে শেষ মুহূর্তে তিনি বলের নিয়ন্ত্রণ হারান।
শেষ পর্যন্ত ২–২ গোলের ড্রয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে—পাঁচ বছর পর নেপালের বিপক্ষে জয়ের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।





