মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি : মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) সবুজ চত্বর আজ কয়েক জন প্রিয় মানুষের শূন্যতায় ভারাক্রান্ত। সময়ের পরিক্রমায় কেউ কেউ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে, কিন্তু রেখে গেছেন অমলিন সব স্মৃতি।
মেহেদী হাসান শুভ: গণিত বিভাগের এক নক্ষত্র-
২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শুভ ছিলেন এক উজ্জ্বল প্রাণ। গত ৩০ এপ্রিল তার আকস্মিক মৃত্যুতে ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রিয় বন্ধুর শূন্যতা আজও তার সহপাঠীদের কাঁদায়, আর শিক্ষকদের স্মৃতিতে তিনি রয়ে গেছেন এক সম্ভাবনাময় ছাত্র হিসেবে।
মো. জুনায়েদ হোসেন: স্বপ্নের অকাল প্রয়াণ-
২০ জুন এক বিষাদময় বিকেলে আমরা হারাই কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের মেধাবী ছাত্র মো. জুনায়েদ হোসেনকে (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ)। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই সন্তোষ পুরাতন পাড়ার একটি ছাত্রাবাস থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। তার এই অকাল চলে যাওয়া পুরো মাভাবিপ্রবি পরিবারকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।
মিতু আক্তার: মায়ার কারিগর-
শিক্ষার্থীদের আহারের নিশ্চয়তা দিতে নিরলস কাজ করে যেতেন জননেতা আব্দুল মান্নান হলের সহকারী বাবুর্চি মিতু আক্তার। গত ১১ জুলাই অসুস্থতার কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার আন্তরিক ব্যবহার এবং নিষ্ঠা তাকে সাধারণ একজন কর্মচারী থেকে সবার প্রিয় একজনে পরিণত করেছিল।
মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসের করিডোর, ক্লাসরুম কিংবা হলের ডাইনিংয়ে এই মানুষগুলো আর কখনো সশরীরে ফিরবেন না। তবুও সহপাঠী, শিক্ষক ও সহকর্মীদের হৃদয়ে এবং ক্যাম্পাসের প্রতিটি স্মৃতিবিজড়িত স্থানে তারা বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল।





