অপহরণের ৯ দিন পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাঁচ শিক্ষার্থীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে শিক্ষার্থীদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের (পিসিপি) কেন্দ্রীয় সভাপতি নিপন ত্রিপুরা

\r\n

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অপহৃতদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

\r\n

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে খাগড়াছড়ি সদরের গিরিফুল এলাকা থেকে পাঁচ শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়া হয়। অপহৃতরা হলেন—রিশন চাকমা (পিসিপি সদস্য),অলড্রিন ত্রিপুরা (চারুকলা ইনস্টিটিউট, ২০২৩–২৪),মৈত্রীময় চাকমা (চারুকলা ইনস্টিটিউট, ২০২৩–২৪),দিব্যি চাকমা (নাট্যকলা বিভাগ, ২০২৩–২৪), লংঙি ম্রো (প্রাণীবিদ্যা বিভাগ, ২০২৩–২৪)

\r\n

এই ঘটনার জন্য শুরু থেকেই ইউপিডিএফকে (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) দায়ী করে আসছিল পিসিপি। তবে ইউপিডিএফ এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

\r\n

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী, প্রগতিশীল ব্যক্তি ও ছাত্র সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে ওঠে। এই জনচাপের মুখে অপহরণকারীরা কয়েক দফায় অপহৃতদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

\r\n

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি চবি প্রশাসন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।