সেতুভবন, বিটিভি এবং মেট্রোরেলে আগুন দেওয়ার নির্দেশ সরাসরি শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এসেছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রসিকিউশন। তারা দাবি করেন, এসব স্থাপনায় আগুন দেওয়ার পর শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “পোড়াইতে বলছি কী, আর আগুন দিছে কই!” – অর্থাৎ আগুন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েও দায় অস্বীকার করেছিলেন তিনি।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে’ সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানিতে এই বক্তব্য দেন মামলার স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিং অফিসার, যিনি এই মামলার ৫১তম সাক্ষী। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই সাক্ষ্যগ্রহণ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
এর একদিন আগেই, সিআইডির ফরেনসিক কর্মকর্তা সাহেদ জুবায়ের লরেন্স তাঁর সাক্ষ্যে জানান, জব্দ করা একটি অডিও ক্লিপ বিশ্লেষণ করে শেখ হাসিনা ও হাসানুল হক ইনুর কণ্ঠ শনাক্ত করা হয়েছে।
অন্য এক সাক্ষ্যদান পর্বে ডিএমপির ওয়্যারলেস অপারেটর কামরুল হাসান বলেন, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই আন্দোলন দমনে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান সব পুলিশ সদস্যকে সর্বোচ্চ বল প্রয়োগ ও গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
পরে মামলার আরেক সাক্ষী সিজার লিস্ট থেকে জব্দকৃত আলামতের তালিকাও ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেন।





