আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমানবাহিনীর সদস্যদের কঠোরভাবে নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
\r\nবৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের বিএএফ ঘাঁটি বাশারে আয়োজিত বিশেষ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “ইউনিফর্মে থাকা অবস্থায় কোনো বাহিনীর সদস্য কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করতে পারবেন না। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতামত থাকতে পারে, তবে তা দায়িত্ব পালনের সময় প্রকাশ করা যাবে না।”
\r\nবিমানবাহিনী প্রধান আরও জানান, এবারই প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে সরাসরি দায়িত্ব পালন করবে বিমানবাহিনী। মোট ৩ হাজার ৭৩০ জন সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে অংশগ্রহণ করবেন। নির্বাচনের দিন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সদস্যদের দৃশ্যমান থাকতে হবে এবং ঘাঁটিতে অবস্থানরত সদস্যরা নিজ নিজ স্থানে দায়িত্ব পালন করবেন।
\r\nহাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, “নির্বাচনী ময়দানে কোনো বিশেষ দল বা প্রার্থীর প্রতি অনুরাগ কর্তব্য পালনে বিঘ্ন ঘটাতে পারবে না। বাহিনীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনমনে আস্থা তৈরিই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
\r\nব্রিফিংয়ে বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানের নির্দেশে প্রতিটি ঘাঁটিতে নির্বাচনী প্রস্তুতি চলছে। ভোটকেন্দ্রে সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদে ভোট দিতে পারে, তা নিশ্চিত করাই এই মোতায়েনের প্রধান উদ্দেশ্য। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতেও বিমানবাহিনী সজাগ থাকবে।





