তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে, সঙ্গে বাড়ছে ধুলাবালি ও বাতাসে দূষণ। এই সময় শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা, সর্দি-কাশি ও সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু মাস্ক পরা বা সকালবেলা বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলাই যথেষ্ট নয়-শরীরের ভেতর থেকেও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আর এর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতের শুরুতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে নিচের খাবারগুলো নিয়মিত খাওয়া উপকারী-

পালংশাক :

শীতকালে সহজলভ্য এই শাকে রয়েছে ভিটামিন সি, বিটা-ক্যারোটিন ও ম্যাগনেশিয়ামসহ নানা পুষ্টি উপাদান। এটি শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং ফুসফুসের সুরক্ষায় সাহায্য করে।

আমলকি :

ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ আমলকি ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত একটি করে আমলকি খেলে শরীরের টক্সিন বের হয়ে যায় এবং সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমে।

হলুদ :

হলুদের ‘কারকিউমিন’ যৌগটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন সকালে এক টুকরো কাঁচা হলুদ খাওয়া বা রান্নায় নিয়মিত হলুদ ব্যবহার শরীরের প্রদাহ ও দূষণজনিত ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।

আখরোট :

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ আখরোট শরীরের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখে ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। প্রতিদিন এক মুঠো আখরোট শরীরের রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

ব্রকলি :

শীতের বাজারে সহজে পাওয়া যায় ব্রকলি। এতে থাকা সালফোরাফেন ও ভিটামিন ই শরীরকে ডিটক্সিফাই করে এবং প্রাকৃতিকভাবে ইমিউনিটি বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই খাবারগুলো নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর ভেতর থেকে পরিশুদ্ধ থাকবে এবং শীতের সংক্রমণ ও দূষণের প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।