জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে সারাদেশে বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হালিম খান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
\r\nঅফিস আদেশে বলা হয়েছে, এনআইডি সংশোধনের গতি বাড়াতে ‘গ’ ক্যাটাগরির আবেদনগুলো এখন থেকে প্রতিটি জেলার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা নিষ্পত্তি করতে পারবেন। আগে এ কাজের দায়িত্ব ছিল শুধু আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের হাতে।
\r\nবিশেষ করে ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে এনআইডি সংশোধনের আবেদন তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সেখানে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কর্মকর্তাদেরও সংশোধনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
\r\nএ ছাড়া দেশের ১৯টি বৃহত্তর সিনিয়র জেলায় ‘খ’ ক্যাটাগরির অনিষ্পন্ন আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলায় উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদেরও এই দায়িত্বে যুক্ত করা হয়েছে।
\r\nনির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ৩০ জুনের মধ্যে নিজ নিজ এলাকার সব অনিষ্পন্ন আবেদন নিষ্পত্তি করবেন। পাশাপাশি পুরোনো আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।
\r\nআঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা ‘গ’ ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পত্তির তদারকির পাশাপাশি ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’-এর সমন্বয় করবেন। একইভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারাও বিশেষ কার্যক্রমের সমন্বয় ও তত্ত্বাবধান করবেন।
\r\nএ কার্যক্রমে অনলাইন যাচাই, সরল নথি পরীক্ষা এবং মাঠপর্যায়ে সরেজমিন যাচাইয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইসি জানিয়েছে, এনআইডি সংশোধনে ধীরগতির কারণে জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত প্রতিদিন কাজ চালিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করবেন।
\r\nএ বিষয়ে পরিচালকের নেতৃত্বে একটি মনিটরিং ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে, যা প্রতি ১৫ দিন অন্তর অগ্রগতির প্রতিবেদন মহাপরিচালককে প্রদান করবে।







