পবিত্র ঈদুল আজহায় সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩৯০ জন, আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ১৮২ জনবাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এই তথ্য জানিয়েছে।

\r\n

সোমবার (১৬ জুন) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য উপস্থাপন করে সংগঠনটি। তারা জানায়, ঈদযাত্রা ও ফেরা মিলিয়ে ১৪ দিন (৪ জুন–১৭ জুন) পর্যবেক্ষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

\r\n

দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে

\r\n

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের তুলনায় এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ২২.৬৫ শতাংশ, নিহত বেড়েছে ১৬.০৭ শতাংশ, আর আহত বেড়েছে ৫৫.১১ শতাংশ

\r\n

এ বছর ঈদের ছুটিতে সারা দেশে ৩৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে ৩৯০ জন নিহত এবং ১১৮২ জন আহত হন। এছাড়া রেলপথে ২৫টি দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত১২ জন আহত হয়েছেন। নৌপথে ১১টি দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়।


\r\n

সংগঠনটি দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন—

\r\n
    \r\n
  • \r\n

    অনভিজ্ঞ ও অপ্রশিক্ষিত চালক

    \r\n
  • \r\n
  • \r\n

    ফিটনেসবিহীন যানবাহন

    \r\n
  • \r\n
  • \r\n

    ট্রাফিক আইনের দুর্বল প্রয়োগ

    \r\n
  • \r\n
  • \r\n

    অতিরিক্ত যাত্রী ও গতিরোধকহীন মহাসড়ক

    \r\n
  • \r\n
\r\n

সংবাদ সম্মেলনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, \"প্রতিবার ঈদযাত্রায় প্রাণহানি বেড়েই চলেছে। এটি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য শুধু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নয়, প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।\"

\r\n

তিনি আরও বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে প্রশিক্ষিত চালক তৈরি, ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ, ও সড়ক পরিবহন আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।