কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পৃথক দুটি স্থানে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা লাশ ও এক কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যবসায়ী উবায়দুল্লাহ পাইলট (৩৫) উপজেলার বাজরা মাছিমপুর মুন্সি বাড়ির মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে। আর কিশোরী মুন্না আক্তার (১৬) একই এলাকার ফারুক মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উবায়দুল্লাহ চালের ব্যবসা করতেন এবং বাজরা বাজারে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল। বুধবার রাত ৮টার দিকে তিনি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পরে রাতে তাঁর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় নিজ ঘরের বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মুন্না আক্তারের লাশ পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মুন্নার মা মারা যান। এরপর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে মুন্না, কথা বলা কমিয়ে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, মায়ের মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে সে আত্মহত্যা করেছে।
কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন জানান, ব্যবসায়ী উবায়দুল্লাহকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অনুরোধে মুন্নার লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।






