গবেষণায় দেখা গেছে, সকাল বেলা লেবুর রস মিশ্রিত গরম পানি খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। লেবুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্বোহাইড্রেট ও চর্বি নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সাথে প্রতিদিন এক গ্লাস লেবুর পানি খাওয়া হৃদরোগ ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

খাদ্য ও পুষ্টি প্রতিবেদক
দই কেবল হজমে সহায়ক নয়, এতে থাকা প্রোবায়োটিক রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে কার্যকর। দৈনিক এক কাপ দই খেলে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে এবং LDL কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে।
পুষ্টিবিদরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দইয়ের সঙ্গে বাদাম বা ফল মিশিয়ে খেলে আরও উপকারী হয়।

গবেষণা বলছে, প্রতিদিন এক চা চামচ আদা ও রসুনের মিশ্রণ খেলে রক্তে কোলেস্টেরল কমে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, এটি ওষুধের বিকল্প নয়, তবে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে ব্যবহার করলে হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ওটস খাওয়ার অভ্যাস LDL বা খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং HDL বা ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়।
গবেষকরা বলছেন, ওটসের সমৃদ্ধ সলিউবল ফাইবার রক্তে চর্বি জমা হওয়ার মাত্রা কমায়। হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে এটি কার্যকর একটি খাবার।

কালোজিরার পাশাপাশি দারুচিনি, হলুদ ও জিরা হার্টের জন্য উপকারী।
দারুচিনি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, হলুদ প্রদাহ কমায়, আর জিরা হজম ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনন্দিন খাবারে এই মসলা নিয়মিত ব্যবহার করলে হৃদ্‌রোগ ও স্থূলতার ঝুঁকি কমে।