জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), যা আগামী ডিসেম্বরকে লক্ষ্য রেখে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
\r\nআজ রবিবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
\r\nডিসেম্বরে নির্বাচন সম্ভাব্য, বড়জোর মাসখানেক পেছাতে পারে
\r\nসরকার এখনো জাতীয় নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করেনি। তবে সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী ডিসেম্বরেই নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। যদি কোনো কারণে এই সময় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ এক মাস পিছিয়ে যেতে পারে।
\r\nএর আগে, গত ১৬ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন নিয়ে সম্ভাব্য সময়সীমার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অল্প সংস্কার করলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর, আর বেশি সংস্কার করলে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব।
\r\nএ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “দুটি সময়সীমার কথা বলা হয়েছে। তবে আমরা ডিসেম্বরকে সামনে রেখে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
\r\nআইন সংস্কার ও তফসিল ঘোষণা নিয়ে মন্তব্য
\r\nআইন সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার জানান, যদি আগামীকালই ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়, তাহলে ইসির প্রস্তুতির জন্য সময় থাকবে। তবে দেরি হলে সময় কিছুটা কমে আসবে। তবে তিনি আশাবাদী যে, একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যেই তফসিল ঘোষণা সম্ভব হবে।
\r\nচাপমুক্ত থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি
\r\nতফসিল ঘোষণার ক্ষেত্রে কোনো চাপ রয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার স্পষ্ট করেন, ইসির ওপর কোনো চাপ নেই এবং তারা কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না।
\r\nতিনি বলেন, “জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী নিরপেক্ষ নির্বাচন করতেই হবে। অন্য কোনো বিকল্প নেই।”






