দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)-এর সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছেন। একই সঙ্গে তার ফ্রিজ হওয়া ব্যাংক হিসাব ও ক্রোক করা সম্পত্তি অবমুক্ত চাওয়ার আবেদনও নাকচ করেছেন।


সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামি পক্ষের আইনজীবী জামিন ও ফ্রিজ হওয়া ব্যাংক হিসাব ও ক্রোক সম্পত্তি অবমুক্ত করার আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত সব আবেদনই নামঞ্জুর করেন। এর আগে, গত ৭ জানুয়ারি দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখান।


মামলায় অভিযোগ, সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া জিয়াউল আহসান নিজের নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন ও এফইপিডি সার্কুলার অনুযায়ী সীমা অতিক্রম করে নিজের ব্যাংক হিসাবেও ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেছেন। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তিনি স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতায় বিপুল অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেছেন। মোট ৮টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।


উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে তিনি নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।