আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে ১ হাজার ৫১ জন কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে দুই শতাধিক কর্মকর্তা পূর্বের বিতর্কিত নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারা ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন, যেমন সহকারী রিটার্নিং অফিসার বা একান্ত সচিব।


তালিকাভুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছে ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগে সক্রিয় থাকা, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের একান্ত সচিব বা এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা। তারা বিভিন্ন জেলার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে অভিযোগ রয়েছে ভোটাধিকার অবাধভাবে প্রয়োগ হয়নি।


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, লোকবলজনিত কারণে এই কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, বিগত বিতর্কিত কর্মকর্তারা পুনরায় নির্বাচনে দায়িত্বে থাকলে নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রভাবিত হতে পারে। বিএনপি নেতারা বলেছেন, “যদি নির্বাচনে সহায়তার জন্য পক্ষপাতদুষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।”


প্রথম দফায় নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিতর্কিত কর্মকর্তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু নাম: ফয়সাল হক, দিপন দেবনাথ, ফেরদৌস ওয়াহিদ, সায়েদুল আরেফিন, শেখ নুরুল আলম, পিন্টু বেপারী, বারিউল করিম খান, কামরুল হাসান সোহেল, তৌহিদ এলাহী, নাহিয়ান আহমেদ, জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী, পারভেজুর রহমান, রিফাত ফেরদৌস, হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী, মো. আদনান চৌধুরী, মো. আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ, আবদুল কাদির মিয়া এবং মো. মতিউর রহমান।


এই কর্মকর্তারা নির্বাচনে বিচারিক ক্ষমতা পেয়েছেন, যা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিতর্ক ও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।