প্রোটিনে ভরপুর এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় ছোলাভাজা এখন তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়। বালিতে ভাজা বা কম তেলে রান্না করা হলে এটি স্বাস্থ্যসম্মত ও কম ক্যালরিযুক্ত হয়, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা মানুষও এই ধরনের হালকা খাবারের দিকে বেশি ঝুঁকছেন। বাজারে প্যাকেটজাত ছোলাভাজাও সহজলভ্য, তবে পুষ্টিবিদদের মতে, ভাজার পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে এর স্বাস্থ্যগুণ।
পুষ্টিবিদরা সতর্ক করছেন, অত্যধিক উচ্চ তাপে ভাজা বা রোস্ট করা ছোলায় ‘অ্যাক্রিল্যামাইড’ নামের ক্ষতিকর যৌগ তৈরি হতে পারে। এটি নিয়মিত শরীরে প্রবেশ করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় এবং স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। প্রাণী গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যাক্রিল্যামাইড শরীরে গ্লাইসিডামাইডে রূপান্তরিত হয়, যা পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
তবে ছোলাভাজা নিজে অস্বাস্থ্যকর নয়। ভাজার পদ্ধতি সঠিক হলে প্রোটিনের গুণ এবং স্বাদ বজায় রাখা সম্ভব।
পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য করণীয়:
১. ছোলা ভিজিয়ে বা সেদ্ধ করে খাওয়া বেশি ভালো।
২. ভাজতে হলে ১৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপে করুন।
৩. ছোলায় হালকা সোনালি রং ধরলেই নামিয়ে ফেলুন; কালচে বাদামি রঙে ভাজা বিপজ্জনক।
৪. ভেজানো ছোলা সামান্য নেড়ে, পাতিলেবু রস, পেঁয়াজ, মরিচ ও লবণ দিয়ে খেতে পারেন। এতে স্বাদ ও পুষ্টি দুটোই বজায় থাকে।
বাজারের প্যাকেটজাত ছোলাভাজায় অতিরিক্ত মসলা, সোডিয়াম বেনজোয়েট বা এমএসজি যোগ করা হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। তাই ছোলাভাজা খেতে চাইলে বাড়িতেই তৈরি করুন, কম আঁচে হালকা ভেজে নিন। চাইলে সেদ্ধ ছোলার সালাদ বানিয়েও উপভোগ করা যায়।





