মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রভাবে দেশের বিদ্যুৎ খাতে নতুন মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
rnপ্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১.২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১.৫০ টাকা পর্যন্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে খুচরা পর্যায়েও আনুপাতিক হারে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
rnএই প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) একটি কারিগরি কমিটি গঠন করেছে। কমিশনের সাম্প্রতিক সভায় বিষয়টি নীতিগতভাবে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
rnসরকারি হিসাব অনুযায়ী, বছরে প্রায় ৯ হাজার কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। প্রস্তাবিত হারে দাম বাড়লে বছরে অতিরিক্ত ১০ হাজার থেকে ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় সমন্বয় হতে পারে।
rnএদিকে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) এবং পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ-ও পৃথকভাবে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দিয়েছে, যা বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন খরচ বাড়াতে পারে।
rnসরকারি সূত্র বলছে, বর্তমানে দেশের প্রায় ৬৩ শতাংশ গ্রাহক স্বল্প ব্যবহারকারী হলেও বড় ব্যবহারকারীদের ওপর বেশি প্রভাব পড়বে এই মূল্য সমন্বয়ের কারণে।
rnবিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার কারণে উৎপাদন খরচ বাড়ায় বিদ্যুৎ খাতে এই সমন্বয় অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।





