রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার পরিসর নিয়ে আলোচনার শুরুতেই একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
\r\nবৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরুর আগে এ কথা জানান কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, \"আমাদের হাতে সময় সীমিত। তাই দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। লক্ষ্য হচ্ছে, জুলাই মাসের মধ্যেই ‘জুলাই সনদ’ চূড়ান্ত করা। কমিশনের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও, আলোচনাকে ফলপ্রসূ করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।\"
\r\nআলী রীয়াজ আরও জানান, এখনো যেসব বিষয়ে সমঝোতা হয়নি, সেসব নিয়েই আজকের আলোচনার সূচনা হয়েছে। আজকের বৈঠকে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডাগুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, সংবিধান ও রাষ্ট্রের মূলনীতি, এবং নির্বাচনী এলাকা পুনর্নির্ধারণ।
\r\nচতুর্থ দিনের এই আলোচনায় প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। এর মধ্যে বিএনপির পক্ষে আলোচনায় অংশ নেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) হয়ে অংশ নেন দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
\r\nকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব বিষয়ে আজ সমঝোতা সম্ভব হবে না, সেগুলো নিয়ে আগামী সপ্তাহে পুনরায় আলোচনা হবে।
\r\nসূত্র: ইউএনবি







