সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামী চৌধুরী ও তার স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ৮ জনকে ৪২ কোটি টাকার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তারা ইউসিবিএল মহাখালী শাখার গ্রাহক ও ব্যবসায়ী সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড এবং ই-ইঞ্জিনিয়ারিং পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমিনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন কিস্তিতে মোট ৪১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন। পরে এই অর্থ বিদেশে পাচার এবং মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে রূপান্তরিত করা হয়।
মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৬২/৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও (৩) ধারায়।
দুদকের আগের মামলায় ১৮ সেপ্টেম্বর সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ৫২ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর আগে প্রায় ১২৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলা চলছিল।
সর্বশেষ, ক্ষমতার পরিবর্তনের পর দুদক সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। আদালত ইতোমধ্যেই সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমীলা জামানের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা:
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, স্ত্রী রুকমীলা জামান, সাবেক পরিচালক সৈয়দ কামরুজ্জামান, আরমিট ও ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের মালিক মো. আব্দুল আজিজ, আরমিট ও ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের মালিক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আরমিটের কর্মচারী ও মডেল ট্রেডিংয়ের মালিক মোহাম্মদ মিছাবাহুল আলম, ক্রিসেন্ট ট্রেডার্সের মালিক সৈয়দ নুরুল ইসলাম ও রেডিয়াস ট্রেডিংয়ের মালিক মো. ফরিদ উদ্দিন।





