বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি প্রচারণার কৌশল নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, দলটি ক্ষমতায় গেলে জনগণকে নির্দিষ্ট ধর্মীয় বিধিনিষেধ ও অনুশাসন মেনে চলতে বাধ্য করা হতে পারে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।


পোস্টে আব্দুল কাদের উল্লেখ করেন, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মিজানুর রহমান নাকি ঘোষণা দিয়েছেন—যারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকবে না, তাদের কোরআনের মাহফিল শোনার কোনো প্রয়োজন নেই।

এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আব্দুল কাদের লেখেন, ‘ইসলাম ধর্ম কি জামায়াতে ইসলামী ইজারা নিয়েছে? এক-দুইজন বললে ব্যক্তিগত ভুল হিসেবে ধরে নেওয়া যেত। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সবাই একই সুরে কথা বলছে।’ তিনি একে ‘উদ্বেগজনক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে দলটি ক্ষমতায় এলে ধর্ম পালনও তাদের নির্ধারিত বিধিনিষেধের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়তে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী নিজেদের বাইরে কাউকে ইসলামের প্রকৃত ধারক ও বাহক হিসেবে বিবেচনা করে না। এমনকি অন্যদের যথাযথ মুসলমান বলেও তারা মনে করে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তুলনা টেনে তিনি বলেন, এ ধরনের মনোভাব অনেকটা অতীতে পশ্চিম পাকিস্তানিদের মানসিকতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।