একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিকেলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।


নীতিমালায় বলা হয়েছে, যেকোনো শিক্ষাবর্ষে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে আগের দুই বছর পর্যন্ত ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। দেশের যেকোনো শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তারা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির যোগ্য হবেন।


বিদেশি কোনো বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে সনদের মান নির্ধারণের পর তারা ভর্তির জন্য বিবেচিত হবেন।


নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো ধরনের ভর্তি বা বাছাই পরীক্ষা নেওয়া হবে না। শুধুমাত্র এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।


প্রতিটি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বাকি ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য, এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থার কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।


সংরক্ষিত কোটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণপত্র এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। যদি নির্দিষ্ট কোটায় প্রার্থী পাওয়া না যায়, তাহলে মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে—কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না।


এদিকে, ২৪ জুলাইয়ের সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত বা আহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য কোনো ধরনের সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ রাখা হয়নি বলে জানানো হয়েছে।


একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শিগগিরই অনলাইনে শুরু হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।