জাতীয় ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে সকল পক্ষকে কিছু না কিছু ছাড় দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ।
\r\nসোমবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
\r\nড. আলী রীয়াজ বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হলো — সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সম্মিলিত সনদ প্রস্তুত করা। যে বিষয়গুলোতে ঐকমত্য অর্জিত হবে, কেবল সেগুলোকেই ভিত্তি করে চূড়ান্ত সনদ তৈরি করা হবে।”
\r\nতিনি আরও বলেন, “ঐকমত্য গড়তে হলে সবাইকে কিছু না কিছু ছাড় দিতে হবে। তবে মৌলিক বিষয়গুলোতে একমত হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা আশা করি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রথম ধাপের আলোচনা শেষ করা সম্ভব হবে। শুধু আলোচনার টেবিলেই নয়, নিজেদের মধ্যে এবং মিত্র রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গেও আলোচনা করতে হবে।”
\r\nবৈঠকে ১২ দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, “আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও একটি ন্যূনতম ঐকমত্যের ভিত্তি থাকা জরুরি। আগামী দিনে যেন আর কখনও স্বৈরশাসন ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে।”
\r\nতিনি আরও বলেন, “কেউ যেন ইচ্ছামতো সংবিধান পরিবর্তন করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। সংস্কারের যৌক্তিক পরিণতি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা যাতে বিলম্বিত না হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।”
\r\nকমিশনের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, ড. বদিউল আলম মজুমদার এবং ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।







