প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, গত ১৫ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি অর্থনীতি ও ফার্ম লবির সঙ্গে বাংলাদেশের শক্তিশালী সম্পর্ক স্থাপন পররাষ্ট্রনীতির বড় অর্জন।
\r\nরবিবার সকালে ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, এই সাফল্যের সূচনা হয়েছে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে, ড. খলিলুর রহমানের মাধ্যমে। খলিল যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের দায়িত্ব পান, এবং মার্কিন কৃষিখাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে দ্রুত সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
\r\nশফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ একটি বড় কৃষিপণ্য আমদানিকারক দেশ। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক। এই সম্পর্ক বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে এবং এমন দেশগুলোর ওপর নির্ভরতা কমাবে, যারা খাদ্যকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
\r\nতিনি আরও জানান, ড. খলিল মার্কিন ফার্ম লবির সঙ্গে দৃঢ় সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন। এর ফলে বাংলাদেশের শুল্ক আলোচনায় সাফল্য এসেছে, বিশেষ করে পোশাক শিল্পকে কার্যকরভাবে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
\r\nএই সপ্তাহের শুরুতে বাংলাদেশের আমদানিকারকরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি কৃষিপণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এতে দুই দেশের জন্যই লাভজনক চুক্তি হয়েছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি হয়েছে।
\r\nশফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান কৃষি-বাণিজ্যিক সম্পর্ক এখন দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হলে বাংলাদেশ আরও অনুকূল শুল্কহার অর্জন করতে পারবে এবং মার্কিন ফার্ম লবির সাহায্যে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগানো সহজ হবে।
\r\nতিনি যোগ করেন, জাপান, চীন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও পশ্চিম ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দৃঢ় বাণিজ্যিক সম্পর্কের মাধ্যমে সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। এখন বাংলাদেশও সেই পথে এগোতে প্রস্তুত।





