সুমুদ ফ্লটিলার যাত্রী গুলোকে দেখেন। পৃথিবীতে দেশ আছে ২০০ টার মতো। তার মধ্যে ৪৪টা দেশ থেকে মানুষ গেছে। বড় বড় অর্থনীতির দেশ চীন, জাপান, ইন্ডিয়া থেকে কেউ নেই। বিশ্বের সব চাইতে বড় দেশ (সাইজে) রাশিয়া থেকে কেউ নেই। দ্বিতীয় বড় দেশ কানাডা থেকেও কেউ নাই। এর বাইরে ইউরোপের প্রায় সব দেশ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া , দক্ষিণ আমেরিকার বর্ণবাদী কিংবা খুব গরীব কয়েকটা দেশ ছাড়া (যেমন আর্জেন্টিনা, হ্যাঁ, আপনারা অনেকে জানেন না, আর্জেন্টিনা সাংঘাতিক রকমের বর্ণবাদী একটা দেশ), গুরুত্বপুর্ন দেশ গুলো অনেকেই আছে। মুসলিম দেশ অধিকাংশই গেছে।
আফ্রিকার ধনী দেশ গুলো প্রায় সব গুলো থেকে কেউ না কেউ গেছে। যারা জয়েন করেছে তাদের মধ্যে অনেকে ট্র্যাডিশনাল আর্টিস্ট, জার্নালিস্ট, ফটোগ্রাফার। অনেক বেশি আছেন মডার্ন ডিসরাপ্টিভ মিডিয়া কিংবা ভাইরাল মিডিয়ার মানুষ। টিকটকার, ইনস্টাগ্রাম, ফেইসবুকার , ইউটিউবের লোকজন। এরা সবাই আইডিয়ালিস্ট মানুষ জন। দুনিয়ার বুকে ব্যতিক্রমী কিছু করে যেতে যান। একটা স্টেটমেন্ট মেক করতে চান। নেতৃত্বে আছে গ্রেটা থার্নবার্গ। মেয়েটা মানসিক ভাবে একটা বিশেষ অসুখে অসুস্থ , যেটাকে আবার অনেকে বলে সুপার পাওয়ার।
অসুখটার নাম আসপারগার সিন্ড্রোম। এইটা এক ধরনের অটিজম। এই একই অসুখ ইলোন মাস্কেরও আছে। এই অসুখ হলে মানুষ কোন একটা ইস্যুতে লেগে থাকতে পারে বাকি সব কিছু ফেলে। কে কি বললো এগুলো গায়ে লাগে না, সিঙ্গেল মাইন্ডেড হয়ে যায় মানুষ কোন একটা ইস্যুতে। অনেক ফোকাসড, অনেক সময় অনেক এরোগেন্ট বা বেয়াদব হয়। এন্টি সোস্যাল হয়। কার হাত ধরে আল্লাহর দুনিয়ায় কোন কাজ হয়ে যায় এইটা বোঝা দায়। যারা এই ফ্লটিলার সাথী হয়েছেন, এইটা তাদের জন্যে কোন পিকনিক না।
যথেষ্ট বিপদের একটা কাজ, যেখানে মৃত্যু হবার সম্ভাবনাও ছিল সব সময়। এর বাইরে জীবনে আর কোনদিন ভালো কোন কাজ কাম পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাওয়া, বিজ্ঞাপন বন্ধ হওয়া থেকে শুরু করে অনেক ক্ষয় ক্ষতি হবে এদের অনেকের, বিশেষ করে যারা মিডিয়ার মানুষ। তারপরেও তারা গিয়েছেন। দুইজন বাংলাদেশি আছেন, শহীদুল আলম, এবং আর একজন ব্রিটিশ বাংলাদেশি মহিলা আছেন এই ফ্লটিলাতে। এরা এখন অনেকেই এরেস্ট হবেন।তবে বিশ্ব জনমত এর কারণে কাউকে এরেস্ট করে ফেললেও, ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে ইজরাইল।





