ঢাকা মহানগর পুলিশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মঙ্গলবার (১৪ মে) রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় মূল সড়কে চলাচলরত ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো জব্দ করা হয় এবং কয়েকটি রিকশা ভেঙে দেওয়া হয়।
\r\nএ ঘটনায় রিকশাচালকদের দুরবস্থা ও আর্তনাদের খবর গণমাধ্যমে আসলে ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ তৎক্ষণাৎ তিন রিকশাচালককে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। বুধবার (১৫ মে) ডিএনসিসির প্রশাসক তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১,৫০,০০০ টাকার চেক হস্তান্তর করেন।
\r\nএসময় ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, \"মানবিক দিক বিবেচনা করে অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত রিকশাচালকদের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি পুনরাবৃত্তি হবে না। যারা ব্যাটারি চালিত অবৈধ রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের বিকল্প আয়ের উৎস খুঁজে বের করতে হবে।\" তিনি আরও জানান, ঢাকার মূল সড়কে কোনো ধরনের রিকশা চলাচল করতে পারবে না।
\r\nএছাড়া, তিন রিকশাচালককে চাকরি দেওয়ার জন্য ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা প্রদান করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
\r\nডিএনসিসি প্রশাসক আরও বলেন, \"সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যাটারি চালিত এসব অবৈধ রিকশা অপসারণ করা অপরিহার্য। ইতোমধ্যে সরকার যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বুয়েট কর্তৃক অনুমোদিত ব্যাটারি চালিত রিকশা তৈরির জন্য কয়েকটি কোম্পানিকে অনুমতি দিয়েছে। এসব রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।\"
\r\nএছাড়া, ব্র্যাক এক লাখ রিকশাচালকের প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং এই মাসের মধ্যেই তা শুরু হবে।
\r\nএ সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম বদরুদ্দোজা সহ ডিএনসিসির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





