দেশের প্রখ্যাত হাঁটু প্রতিস্থাপন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত ডা. এম আলীকে আটক করেছে ধামাকা শপিং প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা। বর্তমানে তিনি ভাটারা থানায় পুলিশের হেফাজতে আছেন। 

জানা যায়, ই-কমার্স জালিয়াতির অন্যতম আলোচিত প্রতিষ্ঠান ধামাকাশপিং-এর চেয়ারম্যান এম আলীর বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতা ও টাকার প্রভাব খাটিয়ে তিনি আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, শনিবার রাত ৮টার দিকে বেশ কয়েকজন মিলে তাকে আটকের পর পুলিশে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করার দাবীতে থানার সামনে মিছিল করে। 

সম্প্রতি গ্রাহকের ১১৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ‘ধামাকা শপিং’-এর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় ৬২ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের নির্দেশে এসব সম্পত্তি ক্রোক করা হয়। সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের সহকারী পুলিশ সুপার আল মামুনের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৬ জুন এই আদেশ জারি করেন আদালত।   

একজন প্রতারিত ভোক্তা বলেন, “আমরা টাকা দিয়েছিলাম বিশ্বাস করে। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে আজ দেশ ছাড়লেও কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”

ভাটারা থানার একজন কর্মকর্তা জানান, “চেয়ারম্যান এম আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমরা হেফাজতে নিয়েছি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।”