মাগুরার নির্যাতিত শিশুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি এ ঘটনার আসামিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন।
\r\nআজ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
\r\nমাগুরার শিশুটি, যাকে ধর্ষণের অভিযোগে তার মা মামলা করেছিলেন, আজ বেলা ১টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যান। সিএমএইচের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হামিদ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
\r\nএ ঘটনায় শিশুটির ভগ্নিপতি, বোনের শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাশুরকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
\r\nকর্নেল নাজমুল হামিদ বলেন, আজ সকালে শিশুটির দুই দফায় 'কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট' হয়। সিপিআর দেওয়ার পর তার হৃৎস্পন্দন ফিরে এলেও দুপুর ১২টায় আবার ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ হয় এবং সিপিআর দেওয়ার পরও তার হৃৎস্পন্দন ফিরেনি। দুপুর ১টায় শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
\r\nআন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলা হচ্ছে, শিশুটি ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসার মধ্যেও মারা গেছে। দুই দফায় সিপিআর দেওয়ার পরও শেষ দফায় তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
\r\n৮ মার্চ শিশুটিকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়, এবং পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। ১৪ মার্চ দুপুরে চিকিৎসকরা শিশুটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
\r\nবাংলাদেশ সেনাবাহিনী শিশুটির আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে।






