শিক্ষা খাতকে সরকার ‘জাতীয় বিনিয়োগ’ হিসেবে বিবেচনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন সম্মেলন কক্ষে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত ‘রেমিডিয়াল শিক্ষা: কর্ম-অভিজ্ঞতা ও আগামীর ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় এখনো কাঙ্ক্ষিত শিখন দক্ষতা অর্জিত হয়নি। অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও শ্রেণি-উপযোগী দক্ষতা অর্জনে পিছিয়ে রয়েছে।

জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়নের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী পিছিয়ে রয়েছে। তার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ঝরে পড়া ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার বিশেষ সহায়ক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। লার্নিং সার্কেল, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কনটেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, ববি হাজ্জাজ তার ‘দ্য লার্নিং নেশন’ গ্রন্থে বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারের একটি বিস্তৃত রূপরেখা তুলে ধরেছেন।

অনুষ্ঠানে সেভ দ্য চিলড্রেনসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।