খালেদা জিয়া সেনাকুঞ্জে গেলেন ২১ নভেম্বর আর খালেদা জিয়া ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন ২৩ নভেম্বর। তারমানে এখানে একটা প্রশ্ন থেকেই যায় খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে!! সেনাকুঞ্জে ওনার সাথে যারা সাক্ষাৎ করেছেন তারা কি যথাযথ পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট মানে অন্তত মাস্ক পরেছিলেন!  খালেদা জিয়ার মত ইমিউনোকম্প্রমাইজড মানে স্বল্পমাত্রার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের সাথে সাক্ষাতের সময় এটা গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপদ দূরত্ব (সোসাল ডিস্ট্যান্স) বজায় রাখা। 

এমনকি খালেদা জিয়ার হুইল চেয়ার নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি যদি একজন বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন  চিকিৎসকও হয়ে থাকেন তাতেও খালেদা জিয়ার ইমিউন সিস্টেমে কোন বাড়তি সুরক্ষা হয় না। গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়গুলো আবেগের বশবর্তী হয়ে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। কোন রুগীর জন্য বাড়তি সুরক্ষা প্রয়োজন সেটা যদি চিকিৎসক হয়ে না বুঝি তাহলে সাধারণ জনগণ কিভাবে বুঝবে!!  মহান আল্লাহ উনাকে শিফা দান করুন, আমীন।

লেখক, ডা. নাজমা আহমেদ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়